“গোলাপগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের কমিটির প্রস্তাবনা শুধুই বিলাসিতা মাত্র”

“গোলাপগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের কমিটির প্রস্তাবনা শুধুই বিলাসিতা মাত্র”

এম এ ওয়াদুদ এমরুল ::
বাঙালি জাতির সমস্ত দুঃখ-জরা, দূর্যোগ-দুর্বিপাকে জাতির পিতার বলে যাওয়া 'দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো'র ব্রত নিয়ে বাংলার মানুষের  পাশে বাঙালির সাত দশকের নির্ভরতার প্রিয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ছাত্রলীগের হাত ধরেই জীবন ও যৌবনের সমস্ত উত্তাপ রাজনীতির মাঠেই খাটিয়েছি। আমুড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ থেকে শুরু করে গোলাপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ সব জায়গায় মুজিব নেতৃত্বের ঝান্ডা কখনো নুইতে দেই নি। সুস্থ রাজনীতির শিষ্টাচারে অনুপ্রাণিত দেখে ইতিহাসের কালো অধ্যায় যখন বিএনপি, জামায়েত,শিবির রচনা করছিলো, তখনকার উপজেলা ছাত্রলীগের অতীব গুরুত্বপূর্ণ পদ সাধারণ সম্পাদক পদের দায়িত্বও তুলে নিয়েছিলাম। সেই থেকে যুদ্ধ শুরু।
 
হাজারো চড়াই-উত্রাই পেরিয়ে দল যখন সুসংঘটিত তখন ত্যাগী শব্দের যথার্থতা মনে হয় গোলাপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ মাটি চাপা দিয়েছে। উপজেলা আওয়ামীলীগের নতুন কমিটিতে দলে দলে অনুপ্রবেশকারীদের লাগামহীন পদ পদবীর তাণ্ডবনৃত্যে অসহায় আমরা।প্রস্তাবিত কমিটিতে আমি সহ তুখড় নেতাদের বাদ দিয়ে প্রস্তাবিত উলঙ্গ কমিটি জেলা আওয়ামীলীগের নিকট হস্তান্তর করাটা  নিশ্চিত বিলাসিতা মাত্র। 
 
এমন অসুস্থ ধারার রাজনীতির চর্চা গোলাপগঞ্জের মাটি কলুষিত হওয়ার প্রধান কারণ। কুসুমকুমারী দাস কবিতায় বলেছিলেন _
"কৃষকের শিশু কিংবা রাজার কুমার,
সবারি রয়েছে কাজ–এ বিশ্বমাঝার,
হাতে প্রাণে, খাটো সবে, শক্তি করো দান,
তোমরা ‘মানুষ’ হলে, দেশের কল্যাণ।"
 
গোলাপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ এর নতুন কমিটি সুসংহত, সুসংবদ্ধ, সুসংঘটিত করতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সহ সিলেট জেলা আওয়ামীলীগ এর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
 
পদ কিংবা পদবী নয়, জীবন মৃত্যুকে পায়ের ভৃত্য বানিয়ে শেখ হাসিনার বিশ্ব জয়ের গল্প লেখার লড়াকু সারথী হিসেবে আছি এবং থাকবো।ইনশাআল্লাহ।
 
লেখক
সাবেক সাধারণ সম্পাদক
গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ।