জগন্নাথপুরের গোতগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি গঠনে অনিয়মে অভিযোগ

জগন্নাথপুরের গোতগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি গঠনে অনিয়মে অভিযোগ

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি: জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের গোতগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার (১৩ জানুয়ারী) উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবরে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা, গোতগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রনতি রানী রায়। গত ৫ জানুয়ারী বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির কাউকে না জানিয়ে নিজ চাহিদা অনুসারে নামকা ওয়াস্তে একটি কমিটি গঠন করেন। এছাড়াও তিনি ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের সরকার থেকে প্রাপ্ত উন্নয়ন মূলক কাজের কোন হিসাব নিকাশ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিকে অবহিত করেননি। তিনি নিয়ম নীতির তোয়াক্ষা না করে নিজ ইচ্ছা মাফিক একটি গঠন করেছেন। উক্ত কমিটির প্রতি গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সকল অভিভাবক সদস্যগণ অসন্তুষ্ট। কমিটির বাতিল করে সকলের মতামতের ভিত্তিতে নীতিমালা অনুযায়ী একটি গ্রহনযোগ্য কমিটি গঠনের জোর দাবী জানান বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্যরা।

এ ব্যাপারে অভিভাবক  জুবেল মিয়া জানান, আমাদের ইমামুল হক, নজমুল হক, ছাবির মিয়া, মো. মকসুদ মিয়া, মো. সিজিল মিয়া, মো. মলুছ মিয়া, মোছা. জুলি বেগম সহ ৪৮ জন অভিভাবকরা জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবরে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ দিয়েছি। এই হেড মাস্টার বহু  দিন ধরে বিদ্যালয়ে বিভিন্ন অনিয়ম করে আসছেন। উনার মতে যা চায় তা তিনি করেন। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির কাউকে গুরুত্ব দিতে চাননা। আমরা এই শিক্ষকের শাস্তি দাবি জানাই।

এ ব্যাপারে ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষনুরাগী সদস্য ও যুবলীগ নেতা আব্দুল বারিক জানান, আমি একজন শিক্ষানুরাগী সদস্য বর্তমান কমিটিতে আমি থাকার পরও আমাকে ও আমার সাথের কাউকে না জানিয়ে কমিটি গঠন করেন প্রধান শিক্ষক। আমি মনগড়া মত কমিটি গঠনের তিব্র নিন্দা জানাই। আমার এলাকায় শিক্ষিত লোক থাকার পরও অন্য জায়গা থেকে লোক এনে সভাপতি বানানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে গোতগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রনতি রানী রায়ের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে বলেন, এখন আমি বিজি আছি, কথা বলার সুযোগ নাই।


সিলেট প্রতিদিন/এমএনআই-১৩