দু’জনকে দেখলে ভরে উঠে কর্মীদের মন !

দু’জনকে দেখলে ভরে উঠে কর্মীদের মন !

সাজলু লস্কর :: ছবিটি কোনো গল্পের নয়, কিংবা এই ছবিটিকে বলা যাবেনা ইতিহাসের কোনো অংশ। তবে ছবিটি বিগত দিনের মতো আশা জাগায়। দিশা জাগায় শত তরুণ তাজা প্রাণে। ছবির মধ্য মনি সিলেট ছাত্রলীগের দুই হিরন্ময় তারকা। 

দুজনই এখন যুক্ত অভিভাবক সংগঠনের সাথে। একজন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগ) এবং অপরজন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দিন খান। 

সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল। একই কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এডভোকেট নাসির উদ্দিন খান। সিলেট ছাত্রলীগের এই দুই বিশ্বস্থ সিপাহশালার রাজনীতি করতে গিয়ে রাজপথে শিকার হয়েছেন জেল-জুলুমের। 

তবে, অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে সারা জেলায় ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করার মধ্য দিয়ে শক্তি সঞ্চয় করেছেন রাজপথে। ফলে সিলেট ছাত্রলীগ ছিল তৎকালীন বিএনপি-জোট সরকারের শাসনামলে ভয়ঙ্কর এক আতঙ্কের নাম। 

বিশ্বাস এবং ভালোবাসা দিয়ে দু’জনই কর্মী তৈরি করেছেন ইস্পাত কঠিন মনোবলে। অভিভাবক সংগঠনের পদবী নিয়ে মাথা-ব্যাথা নেই দুজনের। তবে দু’জনকে পাশে দেখলে ভরে উঠে কর্মীদের মন। ফের চাঙ্গা হয়ে উঠে মনপ্রাণ। সেই সাথে আনন্দের ঢেউ খেলে যায়। এ ঢেউয়ের তালে নেচে উঠে অগনিত মুজিব সৈনিক। ধ্বমনিতে শিউরে উঠে মুজিবীয় গর্জন। 

ঠিক এমন আনন্দ বান দেখা গেলো সোমবার। সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর থেকে নাদেলকে বরণ করে নিতে এগিয়ে যান নাসির খান। দলীয় কর্মীসমেত এমন দৃশ্য দেখে কর্মীদের মধ্যে আবারো নাড়া দিয়ে উঠলো মুজীবিয় প্রেম। সবার বক্তব্য- ‘নাদেল-নাসির যেখানে, ভয়শুন্য সেখানে’।

সিলেট প্রতিদিন / এসএল