নগরীতে অপরিকল্পিত গ্রিল : সমালোচনায় সিসিক

নগরীতে অপরিকল্পিত গ্রিল : সমালোচনায় সিসিক

প্রতিদিন প্রতিবেদক:: নগরীর জিন্দাবাজার থেকে চৌহাট্টা পর্যন্ত সড়কে সৌন্দর্যবর্ধনে কারুকাজ করা ‘টেস্টিং গ্রিল’ বসাচ্ছে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক)। মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের চৌহাট্টা-জিন্দাবাজার সড়কের মধ্যখানের ডিভাইডারে দৃষ্টিনন্দন গ্রিল বসানোর কাজ শুরু হয়।

নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন কাজে বিগত দিনের ন্যায় এবারও সমালোচনায় পড়েছে সিসিক কতৃপক্ষ। এবার চৌহাট্টা থেকে জিন্দাবাজারে সড়কের মধ্যেখানে বসানো গ্রিল অপরিকল্পিতভাবে লাগানোর অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড নগরীতে ভুগর্ভস্থ বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনের কাজ করছে। তারই অংশ হিসেবে চৌহাট্টা থেকে জিন্দাবাজারে সড়কের মধ্যেখানে অস্থায়ী ভাবে বৈদ্যুতিক খুটি বসানো হয়েছে। যা আগামী বছর খানেকের মধ্যে তুলে ফেলা হবে বলে জানিয়েছেন পিডিবি কতৃপক্ষ ।

এ অবস্থায় সিসিক কতৃপক্ষ নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে এ সড়কের মধ্যেখানে গ্রীল বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে। যা কিছুদিন পর বৈদ্যুতিক খুটিগলো তোলার সময় ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। টেষ্টিং গ্রিল বসানোর কিছুদিন পরেই বৈদ্যুতিক পিলার তোলে ফেলার সময় তখন ক্ষতিগ্রস্থ হবে গ্রিল নাকি পুরোটাই  তোলে ফেলা হবে অথবা সংস্কার করা হবে তা নিশ্চিত নয়। তবে একই কাজ বার বার করা নিয়ে অপরিকল্পিত কাজ করার অভিযোগ উঠেছে সিসিকের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান সিলেট প্রতিদিনকে বলেন, বৈদ্যুতিক খুটিগলো বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বসিয়েছে। তারা জানিয়েছে এক বছর পর খুটিগলো তোলে ফেলবে তবে বাস্তবে দুই কিংবা তিন বছরও সময় লাগতে পারে। 

খুটিগলো তোলার সময় গ্রিল ক্ষতিগ্রস্ত হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান- যাতে করে গ্রিলগুলোর ক্ষতি না হয় সেভাবে ব্যবস্থা নেয় হবে।

সিলেট প্রতিদিন/এমএনআই-১১