বিশ্বনাথে সুমেল হত্যা, ঘাতক সাইফুলের বাতিজা আটক 

বিশ্বনাথে সুমেল হত্যা, ঘাতক সাইফুলের বাতিজা আটক 

প্রতিদিন প্রতিবেদক : সিলেটের বিশ্বনাথে স্কুল ছাত্র সুমেল হত্যা মামলার আসামী সাইফুলের বাতিজা পারভেজকে নবীগঞ্জ থেকে  আটক করেছে র‍্যাব।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২ ঘটিকার দিকে নবীগঞ্জ এলাকা  থেকে থাকে আটক করা হয়।

বিশ্বস্থসুত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন  র‌্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামিউল আলম। এদিকে সাইফুলকেও আটক করতে র‍্যাব এবং সিলেট জেলা পুলিশের কয়েকটি ইউনিট অভিযান  চালাচ্ছে যে কোন সময় সাইফুলকেও আটক করা হতে পারে।

উল্লেখ্য,সিলেটের বিশ্বনাথে আলোচিত চাউলধনি হাওর পারে ধানি জমির মাটি কাটায় বাঁধা দেয়ায় প্রতিপক্ষের বন্দুকের গুলিতে এক যিবক নিহত হোন । নিহত এই যুবক উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের চৈতননগর গ্রামের মানিক মিয়ার পুত্র সুমেল মিয়া (১৭)।এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন নিহত সুমেল মিয়ার পিতা মানিক মিয়া (৫১) ও চাচা মনির মিয়া (৫২)। 

গত শনিবার বিকেলে চৈতননগর গ্রামের উত্তরে চাউলধনী হাওরপারে ওই ঘটনাটি ঘটেছে। এঘটনায় সন্ধ্যায় জিজ্ঞাবাদের জন্য চার জনকে আটক করা হলেও মুল হোতা ঘাতক সাইফুল আলম পালিয়ে যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে চৈতননগর গ্রাম থেকে টুকেরবাজার সড়কের সাথে সংযোগ একটি মাটির রাস্তায় মাটি কাটা শুরু করেন একই গ্রামের মৃত আফতাব মিয়ার ছেলে সাইফুল আলম (৪০)। এতে নজির আহমদ (৫৫) এর ধানি জমি থেকে মাটি কেটে রাস্তা ভরাট করেন সাইফুল আলম। 

এসময় নিহত ভাতিজা সুমেল মিয়া, চাচাতো ভাই মানিক মিয়া ও মনির মিয়াকে সাথে নিয়ে বাধা দেন নজির মিয়া। এতে উভয় পক্ষের বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে সাইফুল আলম ক্ষিপ্ত হয়ে নিজ বন্দুক দিয়ে তিন রাউন্ড গুলি চালান। আর ওই গুলিতে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই তিন জনকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎস্যক সুমেল মিয়াকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। 

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চন্দ্র দাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল আসলাম, থানার ওসি শামীম মূসা ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তেজিত জনতাকে শান্তনা দিয়ে পরিস্তিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। ঘটনার পর থেকে ঘাতক সাইফুল আলম পলাতক রয়েছে।