বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০৪:২৯ অপরাহ্ন


ধর্ষক শাফায়াতের কবল থেকে বাঁচতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

ধর্ষক শাফায়াতের কবল থেকে বাঁচতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা


প্রতিদিন ডেস্ক::

দেশে আলোচিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ধর্ষক শাফায়াতের কবল থেকে বাঁচতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সিলেট রিজেন্ট পার্ক রিসোর্টের সাবেক ম্যানেজার মোহাম্মদ মোবারক হোসেনের ভাই মোক্তার হোসেন। তিনি গতকাল শুক্রবার (২৫ জানুয়ারি) নগরীর একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টের হলরুমে সিলেটের সাংবাদিকদের সাথে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সাহায্য কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ১১মে ২০১৭ইং তারিখে বহুল আলোচিত আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে কলেজ ছাত্রী ধর্ষন মামলার প্রধান আসামী শাফায়াত ও তার বন্ধুদের সিলেট থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে গত ৮মে ২০১৭ইং সিলেটের দক্ষিণ সুরমাস্থ ‘সিলেট রিজেন্ট পার্ক রিসোর্টে’ রুম ভাড়া নিতে আসে তারা। তখন রিসোর্টের ম্যানেজার ছিলেন মোক্তার হোসেনের বড় ভাই মোহাম্মদ মোবারক হোসেন। ধর্ষক শাফায়াত ও তার বন্ধুদের সন্দেহ হলে রিসোর্টের রুম ভাড়া নিতে চাইলে তার ভাই মোবারক রুম ভাড়া দেননি। যাবার পর গত ১১মে ২০১৭ইং তারিখে সিলেটের একটি বাসা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সিলেট থেকে গ্রেফতার হওয়ার কারণে ধর্ষক শাফায়াত মনে করে মোবারক হোসেন পুলিশকে তথ্য দিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে মোক্তার হোসেন বলেন, এর জের ধরে গত ২৭ মার্চ ২০১৮ইং সন্ধ্যা ৭টায় মুখোশধারী কিছু লোক সিলেট রিজেন্ট পার্ক রিসোর্ট-এ হামলা ও ভাংচুর করে। হামলাকারীরা ম্যানেজার মোহাম্মদ মোবারক হোসেনের নাম উল্লেখ করে তাকে খোঁজাখুজি ও গালাগাল করে। তাকে না পেয়ে রিসোর্টে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়। এ বিষয়ে রিজেন্ট পার্ক কর্তৃপক্ষ স্থানীয় থানায় অবহিত করে সাধারণ ডায়েরীও করেন। কিন্তু প্রশাসন কোন সহযোগিতা করেনি। তাই মোবারক হোসেন তার জীবন বাঁচাতে সে দেশ ছেড়ে চলে যান।

মোক্তার হোসেন বলেন, গত ৩০ নভেম্বর ২০১৮ইং তারিখে ধর্ষক শাফায়াত জামিনে মুক্তি পায়। মুক্তি পাওয়ার পর ৭ ডিসেম্বর মোক্তার হোসেনের আরেক ছোট ভাই সোহেল আহমদ (সোহেল ইবনে রাজা) কে ফোন দিয়ে মোবারক হোসেনকে খুঁজে। মোবারকের তথ্য দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। এক পর্যায়ে ধর্ষক শাফায়াত সোহেলকে বলে, মোবারকের তথ্য না দিয়ে সোহেলকেও খুন করে ফেলবে।

সোহেল রিজেন্ট পার্কে হামলার পর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে মিছিল মিটিংয়ে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন। এর জের ধরে ধর্ষক শাফায়াত তাকেও হুমকি দেয়। এ ব্যাপারে সোহেল থানায় নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করেছেন। তবুও প্রশাসনের কাছ থেকে কোন সহযোগিতা না পাওয়ায় কিছুদিন থেকে সোহেল আত্মগোপনে রয়েছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন মোক্তার হোসেন।

ধর্ষক শাফায়াতের ভাড়াটে সন্ত্রসাীদের ভয়ে তার ভাই মোবারকের স্ত্রী-সন্তানরা আত্মগোপনে রয়েছে। যার কারণে কারণে ছেলে মেয়েদের পড়ালেখা বিঘ্নিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, তাদের পরিবারের সদস্যরা জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। তার ছোট ভাই সোহেল জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সিলেট জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। যার কারণে প্রশাসন তাদের কোন ধরণের সহযোগিতা করছেনা।

এই মুহুর্তে তাদের নিরীহ পরিবারকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশ প্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মোক্তার হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে মোবারক হোসেনের বড় ভাই দিলোয়ার হোসেন, রুহুল আমীন সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।





পুরানো সংবাদ

Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  


© All rights reserved © 2017 sylhetprotidin.com