শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০৫:১৩ অপরাহ্ন


সিলেটে পানসী ইন রেস্টুরেন্টে কাস্টমারের সাথে ভয়াবহ প্রতারণা

সিলেটে পানসী ইন রেস্টুরেন্টে কাস্টমারের সাথে ভয়াবহ প্রতারণা

  • 946
    Shares

প্রতিদিন ডেস্ক :: সিলেট মহানগরীর বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট মালিকরা কাস্টমারদের সাথে নানা ধরনের প্রতারনা করে আসেছে দীর্ঘ দিন থেকে। নিয়ম নীতির কোন তোয়াক্ষা না করে ইচ্ছেমত বিল আদায় করছেন রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীরা। এমনই এক ভয়াবহ প্রতারণা সম্প্রতি ধরা পড়েছে জেল রোডস্থ পানসী ইন রেস্টুরেন্টে। তিন গ্লাস জুসের দাম রাখা হয়েছে ১৫০০ টাকা। গ্রাহক বিল দেখে হতবম্ব হয়ে পড়েন। যেখানে তাদের ম্যানুতে জুসের দাম ছিল প্রতি গ্লাস সর্বনিম্ন ১৬০ টাকা।

গত বৃহস্পতিবার নাজিরুল আলম নামের এক ব্যক্তিসহ তিন জন সকাল ১১টায় খেতে যান জেল রোডস্থ পানসী ইন রেস্টুরেন্টে। ম্যানু দেখে তারা তাদের পছন্দের খাবার খান। খাবারের তালিকায় ছিল ১০টি পরোটা, এক পরশন বিফ, এক পরশন মাটন, এক পরশন সবজি, তিন গ্লাস জুস, পানি ও ডাল ভাঁজি। খাবারের পর বিল দেন কর্তব্যরত ওয়েটার। যথারীতি তিনি বিল পরিষোদ করেন। বিল পরিষোদের পর তাদের সন্ধেহ হলে বিলের দিকে তারা দৃষ্টিপাত করেন। তখন দেখতে পান বিলের সাথে ম্যানুর দামের কোন মিল নেই। নাজিরুল আলম হতবাক হন! আকাশচুম্বী দাম ধরা হয়েছে বিলে।

তাদের ম্যানুতে ডালিম জুসের দাম ছিল ১৬০টাকা হতে সর্বোচ্ছ ৪০০টাকা। কিন্তু তাদের বিলে ধরা হয়েছে ৫০০টাকা। গরুর মাংসের সাথে ডাল ও ভাত মিলে ম্যানুর দাম ছিল ১২০টাকা সেখানে তাদের বিলে ধরা হয়েছে ২৪০টাকা। অপরদিকে মাটনের দাম যেখানে ১৬০টাকা পানসী ইন বিল ধরেছিল ৩৪০টাকা।

এসময় কর্তব্যরতদেরকে বিষয়টি অবগত করলে তারা জানান, জুসের মধ্যে পানি পুরানো হয়নি। তাই দাম একটু বেশি রাখা হয়েছে। তবে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে রেস্টুরেন্ট ম্যানেজার স্বীকার করেন দাম একটু বেশি রাখা হয়েছে। কিন্তু বিলের অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেয়ার কোন ইচ্ছা ছিলনা তাদের মাঝে। এসময় কর্তব্যরত ব্যক্তি কথার এক পর্যায়ে বলেন, পানসীর যথেষ্ট টাকা আছে, আর টাকা লাগবেনা বলে জানিয়ে রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে মোটর সাইকেলে করে চলে যান।

এরপর বিলের কপিসহ ঘটনার সময়ের একটি ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করেন নাজিরুল আলম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাটি ভাইরাল হয়ে যায়। ফেসবুকে শুরু হয় নানা ধরনের মন্তব্য।

রাসেল আহমদ নামের একজন ফেসবুকে লিখেছেন, ডাকাতদের বিরোদ্ধে প্রতিবাদ না করলে এরা সাধারন মানুষকে চুষে খাবে। শামসুল করিম নামের আরেক ব্যক্তি লিখেছেন, হোটেল ব্যবসা না করে ডাকাতি করা ভালো। এভাবে কয়েক হাজার বিরূপ মন্তব্য এসেছে ফেসবুকে।

শনিবার রাতে পানসী ইন রেস্টুরেন্টের সাথে যোগাযোগ করা হলে কর্তব্যরত ম্যানেজার সিরাজুল হক জানান, ঐ দিন ভুলবশত পুরাতন একটি ম্যানুর দাম রাখা হয়েছিল। আর বিষয়টি মালিক পক্ষ্য ভালো করে জানেন বলে ম্যানেজার জানিয়েছেন।

সিলেট প্রতিদিন/এম/এ

Posted by Nazirul Alam on Thursday, October 24, 2019


  • 946
    Shares




পুরানো সংবাদ

Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  


© All rights reserved © 2017 sylhetprotidin.com