মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন


ফেঞ্চুগঞ্জে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানকে অপসারণের দাবি

ফেঞ্চুগঞ্জে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানকে অপসারণের দাবি


ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি : সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান সেলিনা ইয়াসমীনের অপসারণের দাবি করেছেন উপজেলার পাঁচ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তাঁরা নানা অভিযোগ তুলে গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে অপসারণের দাবিতে লিখিত আবেদন করেছেন।

উপজেলার সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ বদরুদ্দোজা, মাইজগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান ছুফিয়ানুল করিম চৌধুরী, ঘিলাছড়া ইউপি চেয়ারম্যান লেইছ চৌধুরী, উত্তর কুশিয়ারা ইউপি চেয়ারম্যান আহমেদ জিলু ও উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এমরান উদ্দিনের স্বাক্ষরিত আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলা পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণের সভায় উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা ইয়াসমীন বক্তব্যে বলেন, ‘ফেঞ্চুগঞ্জের মানুষ ধর্ম মানে না।’ এই বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিরোপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন জনসাধারণ।

পরবর্তীতে ঘিলাছড়া ইউনিয়নে সরকারি গাছ চুরির ঘটনা নিয়ে চোরদের পক্ষে তৎকালীন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্চিতা কর্মকারের সঙ্গে মুঠোফোনে আলাপ করে সেলিনা ইয়াসমীন হুমকি ও গালিগালাজ করেন। মুঠোফোনে আলাপের ভয়েস রেকর্ডটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। তাছাড়া গত ৫ নভেম্বর উপজেলা কৃষি কমিটির সভায় ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দকে কৃষকদের কৃষিজাত দ্রব্য প্রদানে স্বজনপ্রীতি করেন এবং চোর বলে আখ্যায়িত করেন।

এ সময় সেলিনা ইয়াসমীনের সঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যানদের কথা কাটাকাটি হয়। ওইদিন রাতে সেলিনা ইয়াসমীন ফেঞ্চুগঞ্জ থানায় ইউপি চেয়ারম্যানদের বিরুদ্ধে একটি জিডি করেন (জিডি নং-২৩৩)। এই বিষয় নিয়ে গত ৬ নভেম্বর রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে সেলিনা ইয়াসমীন পোস্ট দেন। যাতে লেখা ছিল,‘ইউপি চেয়ারম্যান ছুফিয়ানুল করিম চৌধুরীকে তিনি খুন করবেন ও দুই গালে জুতা পেটা করবেন।’ সেলিনা ইয়াসমীনের এই সব কর্মকান্ডের সুবিচার ও অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ উপজেলা পরিষদের কোন সভায় অংশগ্রহণ করবেন না বলে উল্লেখ করেন।

মাইজগাঁও ইউপির চেয়ারম্যান ছুফিয়ানুল করিম চৌধুরী বলেন, সেলিনা ইয়াসমীনের সেচ্ছাচারিতা ও গালাগাল স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আমাকে খুন করবেন বলে তিনি ফেইসবুকে পোস্ট করেছেন। তার এইসব কর্মকান্ডের সুবিচার ও অপসারণ চেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে দরখাস্ত দেওয়া হয়েছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে সুষ্ঠু সমাধানের চেষ্টা চলছে।

সিলেট প্রতিদিন / এমজে





পুরানো সংবাদ

Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930  


© All rights reserved © 2017 sylhetprotidin.com